"আসুন আমাদের সন্তানদেরকে সিগারেট খাওয়া শিখাই"
আচ্ছা, মনে করুন আপনি অফিস থেকে বাড়িতে আসলেন। এসে দেখলেন যে আপনার আদরের সন্তানটা একটা সিগারেট খাচ্ছে। আপনি তখন তাকে বল্লেন যে, বাবা তাড়াতাড়ি সিগারেটটা খেয়ে তোমার স্কুলের হোমওয়ার্কটা করে ফেল। তখন আপনার সন্তান বলল যে, জ্বি বাবা এখনি আসছি, সিগারেটটা শেষ করেই আসছি। কেমন হল বিষয়টা? আপনার মনে হচ্ছে আমি গাজাখোরি গল্প বলছি? গাজাখোরি গল্প লেখার জন্য এখানে আসিনি। যতটুকু জানা যায় স্মার্ট ফোন /ট্যাব আখন আমাদের ঘরে ঘরে পৌছে গেছে। আমাদের বাচ্চারা এগুলো নিয়ে এখন দারুনভাবে ব্যস্ত।হয়ত গেম খেলছে নয়তো ফেসবুক চালাচ্ছে বা আরো অনেক কিছু করছে। এখন মূল কথায় আসা যাক। সেটা হল সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে, একজন সিগারেট খোর বা অন্য কোন নেশাখোর ব্যক্তির কাছ থেকে তার নেশাজাত দ্রব্যটি ছিনিয়ে নিলে তার মস্তিস্কে এক ধরনের অস্তিরতা তৈরি হয়। চরম অস্তিরতা। ঠিক একইভাবে আপনার সন্তানের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, স্মার্টফোন, বা ট্যাবটা যদি নিয়ে নেওয়া হয় তাহলে তার মস্তিষ্কে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। যেটা একজন সিগারেট খোরের অস্থিরতার চেয়ে মারাত্নক। তাহলে এখান থেকে কি বোঝা যাচ্ছে? মোবাইল ফোন, ট্যাব বা স্মার্টফোন কিন্তু সিগারেট খাওয়ার চেয়ে বেশি ক্ষতি করছে আপনার আমার সন্তানকে। নেশার জগতে একজন নেশাক্ষোর যেমন, মোবাই, ট্যাব হাতে আপনার বা আমার সন্তানের অবস্থাও তেমন। সন্তানটা তখন স্মার্টফোন/ট্যাব নিয়ে ব্যস্ত। একটা গবেষণায় দেখা গেছে যে, একজন নেশাখোরের কাছ থেকে নেশাজাত দ্রব্য ছিনিয়ে নিলে তার মস্তিষ্কে যে অস্তিরতা তৈরি হয়, একজন বাচ্চার কাছ থেকে স্মার্টফোন কেড়ে নিলে ঐ নেশাখোরের চেয়ে বেশি অস্তিরতা তৈরি হয়। এজন্য কথাটা একটু ঘুরিয়ে বল্লাম। যতটা সম্ভব বাচ্চাদের কাছ থেকে মোবাইল, স্মার্টফোন, ট্যাব ইত্যাদি জিনিস দুরে রাখার চেষ্টা করা উচিৎ। নাহলে ঐ নেশাখোরদের মত হবে আমাদের আগামী প্রজন্ম। এবং আমি আশাবাদী যে আসছে আগামী দিনগুলোতে ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি ব্যবহারে খুব কঠিন নিষেধাজ্ঞা আসছে। বিস্তারিত জানতে:
[মুস্তাফিজুর রহমান]
[মুস্তাফিজুর রহমান]
No comments